পাঁচ জেলার ডিসি-এসপিকে আইনি নোটিশ
পুকুর ভরাট-দখল
দেশের পরিবেশের সুরক্ষা বিবেচনা করে সরকার ২০০০ সালে জলাধার সংরক্ষণ আইন নামে একটি আইন পাস করে বিভিন্ন শহরে থাকা পুকুরগুলো বা জলাধার ভরাট করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এবং উক্ত আইন অনুসারে কেউ দখল ও ভরাট কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে আইনে।
সুনির্দিষ্ট আইন থাকা সত্ত্বেও বরিশাল, ময়মনসিংহন্ধানী , চট্টগ্রাম, বগুড়া ও সিলেট জেলা শহরে শত শত পুকুর দখল ও ভরাট করা হচ্ছে মর্মে একটি টেলিভিশন অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ করে। সে রিপোর্ট নজরে আসলে জেলার পুকুরগুলো সংরক্ষণের প্রয়োজনে পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)-এর পক্ষে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়ে সেসকল কর্মকাণ্ড অর্থাৎ ভরাট ও দখল বন্ধে কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে নোটিশ পাঠিয়েছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। যাদেরকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন বগুড়া, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক, মোট ১৫ জন।
নোটিশে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে, যে সকল পুকুর দখল করা হয়েছে ও ভরাট করা হয়েছে তা পুনরুদ্ধার করার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যে সকল পুকুর বিদ্যমান রয়েছে সেগুলো যাতে আর কেউ ভরাট বা দখল করতে না পারে সে ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নতুবা তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
নোটিশগুলো বৃহস্পতিবার ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট ১৫ জনকে পাঠানো হয়েছে। নোটিশগুলো প্রেরণ করেছেন এইচআরপিবি প্রেসিডেন্ট সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।