আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় বেকায়দায় আয়ারল্যান্ড
বৃষ্টির কারণে ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় বেকায়দায় পড়লো আয়ারল্যান্ড।ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জনে দলটিকে বাছাইপর্ব খেলতে হবে। এতে আইসিসি পুরুষ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ১২তম স্থানে থাকা আইরিশদের জন্য সরাসরি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের পথটি বেশ কঠিন বলা চলে।
র্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশকে টপকাতে হলে তাদের আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের প্রয়োজন ছিল। এর পাশাপাশি ৩০ সেপ্টেম্বর সময়সী সীমার আগে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম দুটি ম্যাচ হারার প্রয়োজন ছিল।
কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদের সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের আশা শেষ হয়ে যায়। ফলে ইউরোপীয় দলটিকে এখন ১০ দলের বাছাইপর্বে খেলতে হবে; এই বাছাইপর্বের বিজয়ী দল সরাসরি বিশ্বকাপ ২০২৭-এর মূল পর্বে জায়গা করে নেবে।
অন্যদিকে বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দলগুলো বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্ব বা ‘সুপার সিরিজ’-এ অংশ নেবে এবং সেখান থেকে সেরা দলটি ১২ দলের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। এই ১০ দলের বাছাইপর্বে অংশ নেবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের ওয়ানডে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী যৌথ আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া সর্বনিম্ন র্যাঙ্কিংধারী দুটি ‘পূর্ণ সদস্য' দেশ এবং ‘সিডব্লিউসি লিগ ২’ ও বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ’ থেকে উঠে আসা সেরা চারটি করে দল।
উল্লেখ্য, প্লে-অফ পর্বে ‘সিডব্লিউসি লিগ ২’-এর তলানির চারটি দল এবং ‘চ্যালেঞ্জ লিগ’ থেকে সমসংখ্যক দল অংশ নেবে। প্লে-অফের ফরম্যাট বা কাঠামো এখনো চূড়ান্ত না হলেও, ধারণা করা হচ্ছে এটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আগেই অনুষ্ঠিত হবে।
তবে ‘চ্যালেঞ্জ লিগ’-এ ১২টি দল দুটি গ্রুপে (প্রতিটিতে ছয়টি করে দল) বিভক্ত হয়ে খেলবে। এই চক্রে প্রতিটি দল তিনটি করে ‘রাউন্ড-রবিন’ টুর্নামেন্ট খেলবে এবং এরপর প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুটি দল ‘বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার প্লে-অফ’-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
আয়ারল্যান্ড ২০২৩ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল; কারণ গত আসরের বাছাইপর্বের ‘সুপার সিক্স’ পর্যায় থেকেই তারা ছিটকে পড়েছিল।