‘মমতার বিরুদ্ধে লড়ার কে আছে?’ বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে মন্তব্য তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের

0
93

#পশ্চিমবঙ্গ: ”স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাঙালিরা। শিক্ষাক্ষেত্রে নোবেল প্রাপক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহসিকতার নাম আসলে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস। আর প্রশাসনের নাম বললে আসবেন আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বিরুদ্ধে লড়ার কে আছে?” এদিন বিজেপিকে কটাক্ষ করে এমন প্রশ্নই তুললেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

ঠিক তারপরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “কেউ নেই ওদের। ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। বাইরে থেকে নেতা আনছে। এখানে যাঁরা আসছেন, বাংলার কৃষ্টি, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে তাঁদের ধারণা নেই। বাংলার মা-বোনেদের সম্মান করতে জানে না।” ফের ‘বহিরাগত’ ইস্যুতে বিজেপিকে নিশানা করে এদিন তিনি মন্তব্য করেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি নেতাদের উপরে ভরসা নেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তাই বাইরে থেকে নেতা আনতে হচ্ছে।”

কাকলি এদিন আরও মন্তব্য করেছেন, “যে কয়েকজন বাঙালি নেতা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বা আছেন, তাঁদের উপরে মনে হচ্ছে না ভরসা আছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। সে জন্য নেতা আমদানি করতে হচ্ছে। দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে নেতারা আসছেন। বাঙালির উপরে আস্থা রাখতে পারছে না বিজেপি। বাঙালির মাথার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা ভালো চোখে দেখছে না বাঙালি।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, গতকাল তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, “১৯৩৯ সালে হারলেন সুভাষচন্দ্র বোস। নানাভাবে তাঁকে কোণঠাসা করা হল। ভারতের রাজনীতি ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল সুভাষকে। তার হুবহু পুনরাবৃত্তি ঘটলো ৫০ বছর পরে। সুভাষ বোস আলাদা দল গঠন করেছিলেন। মমতাকে সুভাষের মতো লড়াই করতে হয়েছে। আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরি করতে হয়েছে, তার নাম তৃণমূল কংগ্রেস।” অর্থাৎ তৃণমূল যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাঙালির আবেগকেই নিজেদের হাতিয়ার করছে, তা বলাই বাহুল্য।

Leave a Reply