শুভেন্দুর মানভঞ্জনে ময়দানে তৃণমূল

0
93

বিগত কয়েকমাস ধরেই পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। ক্রমশ প্রকাশ্যে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। যা নিয়ে অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক শিবির। ইতিমধ্যেই শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জোড় জল্পনা শুরু হয়েছে। একের পর এক সভায় শাসক দলের উদ্দেশ্য নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। চাঁচাছোলা আক্রমণ করতেও পিছু পা হননি। এমনকি কোনো সভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেননি। বিভিন্ন জায়গায় ‘আমরা দাদার অনুগামী’ ব্যানারে বিরাট বিরাট সভা করেছেন শাসক দলের থেকে দুরত্ব বজায় রেখে।

তাই বর্তমানে সেই শুভেন্দুকে ধরে রাখাই সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শাসক শিবিরেক কাছে। এবার সেই লক্ষ্যেই কোমর বেঁধে মাঠে নামছে তৃণমূল।জানা যাচ্ছে, তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূলের এক সাংসদ। আর এক সাংসদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হতে পারে। শুভেন্দু অধিকারী কি তৃণমূলে থাকবেন? সূত্রের খবর, শুভেন্দু যাতে দল না ছাড়েন, সেই চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। এর আগে শুভেন্দু মোনভঞ্জনের জন্য প্রশান্ত কিশোরকে মাঠে নামতে হয়েছিল। তিনি শুভেন্দুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন দেখা করতে।

অন্যদিকে একুশে বাংলা জয়ের লক্ষ্যে দারুণ সক্রিয় হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্ধারণ করে দেওয়া ২০০ টি আসন হাসিল করতে সর্বস্ব দিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে পদ্ম শিবির। সোমবারই বঙ্গে আসেন সুনীল দেওধর। তিনি আজ উলুবেড়িয়ায় বৈঠক করবেন বলে খবর। এছাড়াও বাকি আরও ৪টি জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারাও এসে পৌঁছেছেন। জোনের অন্তর্গত জেলাগুলির সাংগঠনিক পদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। আজ থেকে ৩ দিন ৫টি জোনের বৈঠক।

Advertisement

বাংলা জয় নিয়ে কোনোরকম আপসে চাইছে না পদ্ম শিবির। ৬ হাজার স্কোয়ার ফুটের ৪ তলা ওয়ার রুম হচ্ছে রাজ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে ঝড় তুলবেন কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক তথা আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। রাজ্যের জেলাগুলিকে ৫টি জোনে ভাগ করেছে বিজেপি। প্রত্যেকটি জোনকে নিয়ে ১৮,১৯ ও ২০ নভেম্বর বৈঠক। ওই বৈঠকের রিপোর্ট পাঠানো হবে নাড্ডা-শাহের কাছে। চলতি মাসেই ফের রাজ্যে আসতে পারেন তাঁরা।

পূর্ণ রণকৌশলে তৃণমূল সরকারকে কিস্তিমাত করতে চাইছে বিজেপি। লক্ষ্য, প্রচারে এমন ঝড় তোলা, যাতে কেউ দাঁড়াতেই না পারে। সভার পর সভা, সোশ্যাল মিডিয়াতে মমতা সরকারের নানা দিক তুলে সমালোচনা। একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রচারে থাকবেন। বাংলায় লোকসভার বেশি সভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে পাল্লা দেবেন অমিত শাহ।

 

 

Leave a Reply