‘পিকের মতো ভাড়াটে দিয়ে সাফল্য পাওয়া যায় না’, দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে মন্তব্য বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ীর

0
122

#একুশে-বঙ্গ-নির্বাচন: রাজ্যে একুশের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই অস্বস্তি বাড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের। শুক্রবার মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, সেদিনই দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বিধায়ক মিহির গোস্বামী। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ী।

জটু লাহিড়ী অভিযোগ তুলেছেন, “আমার নিজের ধারণা, পিকে আসার পর থেকে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমি নিজেই অপমানিত বোধ করেছি। একটা অল্পবয়সি ছেলে এসে বলছে, আপনাকে এই মিছিলটা করতে হবে। তাঁর সঙ্গে আসলেন এক ভদ্রমহিলাও। তিনি নাকি জেলার কী! সে এসে বলল, অমুক করতে হবে, মিছিল করতে হবে, রাত জাগতে হবে। প্রথম প্রথম করেছি। টিকিয়াপাড়ায় একটা বাড়িতে ছিলাম। আস্তে আস্তে মনে হচ্ছে, এটা ঠিক নয়।”

দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ সাফ জানিয়ে দিলেন, “পিকের মতো ভাড়াটেদের দিয়ে সফলতা পাওয়া যায় না।” এই প্রথম নয়, এর আগেও শাসক দলের একাধিক নেতা-বিধায়করা পিকে-বিরোধী মন্তব্য করেছেন। অথচ উল্লেখ করা প্রয়োজন যে এই পিকের মস্তিস্ক-প্রসূত একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমেই তৃণমূলের জনসংযোগ জোড়ালো হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার শুভেন্দু মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর থেকেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। হঠাৎ করেই তৃণমূলের নেতা-বিধায়কদের গলায় দল-বিরোধী সুর শোনা যাচ্ছে। প্রকাশ্যে আসছে গোষ্ঠীকোন্দল। ইতিমধ্যেই দলের বিরুদ্ধে জনসম্মুখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের এবং ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল বিধায়ক দীপককুমার হালদার।

Leave a Reply