কোভিড টিকার প্রভাব কার্যকর থাকতে পারে ন’মাস থেকে এক বছর, জানালেন এমস-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া

0
145

আশা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষেই ভারতবাসীর হতে চলে আসবে করোনা ভ্যাকসিন। সেই মতো প্রস্তুত পর্বের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। প্রথম ভাগে স্বাস্থ্যকর্মী, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার,ও মুমূর্ষু রোগীদের দিয়ে শুরু হবে দেশে ভ্যাকসিন প্রদান। কিন্তু কবে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে? সেটাই এখন দেশবাসীর মুখে সবচেয়ে বড়ো লব্জ। আশা জাগিয়েছে বেশ কিছু করোনা ভ্যাকসিনের চুড়ান্ত পর্যায়ের ফলাফল।

কিন্তু সেই ভ্যাকসিন মানবশরীরে কতদিন কার্যকরী হবে সেই নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ সম্প্রতি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সেস (এমস)-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন যে নোভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোভিড টিকার প্রভাব কার্যকর থাকতে পারে ন’মাস থেকে এক বছর। পাশাপাশি ভ্যাকসিন নিয়ে সতর্কবার্তাও শুনিয়েছেন তিনি।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, “এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কোভিড টিকার কার্যকারিতা ন’মাস থেকে এক বছর স্থায়ী হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।” পাশাপাশি, তাঁর আরও দাবি, ২০২৩ সালের মধ্যে করোনার মতো অতিমারির সমাপ্তির কথা ঘোষণা করতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।

Advertisement

কোভিড-১৯ টিকা বাজারে না এলেও তা নিয়ে সম্ভাবনার পাশাপাশি সতর্কবার্তা শুনিয়েছেন এমস ডিরেক্টর। তাঁর মতে, “কোভিডের মতো অতিমারি খুব শীঘ্রই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, এমনটা ভাবা ভুল হবে। বরং এই ভাইরাসের প্রকোপ আরও কিছুকাল স্থায়ী হবে।” তবে ২০২৩ সালে হু কেন এই অতিমারি সমাপ্তির কথা ঘোষণা করতে পারে? এই প্রশ্নের জবাবে গুলেরিয়ার দাবি, “অতিমারির মতো ভয়াবহ আকার ছেড়ে হয়তো একটি সাধারণ রোগে পরিণত হবে কোভিড-১৯।”

কী ভাবে করোনাভাইরাসের মারণক্ষমতা কমবে, তা-ও জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তাঁর মতে, কোভিড সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে হাতিয়ার হয়ে উঠবে এর টিকা। জনসংখ্যার একটা বড় অংশের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতেও সাহায্য করবে এটি। ফলে ২০২৩ সালের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার আরও কমে যাবে বলে মনে করছেন তিনি।

Leave a Reply