কানহাইয়া-তেজস্বী জুটি দিয়েই বঙ্গ জয়ের স্বপ্ন দেখছে সিপিএম

0
217

বিহারে বামেদের অপ্রত্যাশিত সাফল্যকে একুশে বঙ্গ নির্বাচনেও কাজে লাগাতে চাইছে বাংলার বাম শিবির। বিহারের কানহাইয়া কুমারের মন্ত্রেই কিস্তিমাতের লক্ষে বঙ্গ লাল নেতারা। তারা আশাবাদী যে, বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে বাঙলার মানুষ। সেই জায়গায় রুটিরুজি ও কর্মসংস্থানের দাবিকেই রাজ্যের মানুষ ভোটবাক্সে সমর্থন জানাবে। এমনকি তৃণমূলকে বাংলার মূল থেকে তুলে দিয়ে কংগ্রেস – বাম জোটকেই সমর্থক জানাবে বাংলার মানুষ।

প্রসঙ্গত বিহারের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কোনোরকনে উড়ে গিয়েছে এনডিএ জোট। নীতীশ কুমার শেষ হাসি হাসলেও মহাজোটের “আসন সংখ্যা” ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে। আরজেডি একাই বিজেপির থেকে বেশি আসন পেয়েছে। বলতে গেলে মহাজোটকে ডুবিয়েছে কংগ্রেস একাই। কারণ ৭০টি আসনে মাত্র ২০টি আসন পেয়ে মহাজোটের ভরাডুবির কারণ দাঁড়িয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল। সেদিক থেকে মোটজোটের বাম শিবিরের পারফরম্যান্স প্রশংসনীয়। যদিও শুরুতে ২১। পরে কমে ১৯, ১৮, ১৭। মধ্যরাতে গণনা শেষে ১৬তেই থামতে হল বামেদের। তবে তিনটি আসনের গণনা নিয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ করেছেন CPIM লিবারেশনের সর্বভারতীয় সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য। কারচুপির অভিযোগও করা হয়েছে। তবে বামেদের স্ট্রাইক রেট বিজেপির থেকে বেশি। আর সেখানেই আশার আলো দেখছে বঙ্গ বাম শিবির।

উল্লেখ্য পরের বছরই বাংলার হাই ভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই ভোটে দামামা বেজে গিয়েছে। তার আগেই জোটে আসন ভাগাভাগির কাজ সেরে রাখতে চাইছে আলিমুদ্দিন-বিধানভবন। সেইসঙ্গে বিহারে মহাজোটের ভোটের ইস্যুকেই এ রাজ্যেও সামনে আনার কাজ শুরু করা হবে। ভোটারদের মনে দাগ কাটতে চলবে রাস্তায় নেমে সংগঠিত আন্দোলন। জনমনে ঠাঁই করে নিতে কাজে লাগানো হবে বিহার ভোটের মহাজোটের নতুন দুই তারকাকে। তেজস্বী যাদব (Tejaswi Yadav) ও কানহাইয়া কুমার (Kanhaiya Kumar)। রাজ্যে বাম জোটে যেহেতু আরজেডি রয়েছে তাই তেজস্বীকে প্রচারে আনতে সমস্যা হবে না বলেই ধারণা আলমুদ্দিনের ভোট ম্যানেজারদের।

Advertisement

Leave a Reply