স্লো-পয়জনিংয়ের মাধ্যমে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল তাঁকে! বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের

0
216

#লতা_মঙ্গেশকর: নিজের স্মৃতিচরণ করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য পেশ করলেন সঙ্গীত জগতের বিখ্যাত শিল্পী লতা মঙ্গেশকর। তাঁর দাবি, তাঁকে নাকি বিষ দেওয়া হয়েছিল। তাও আবার স্লো পয়জন। যাতে কেউ টের না পায়, আর অসুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ছয়ের দশকে ঘটেছিল এই ঘটনা। ১৯৬৩ সালে ঘটা সেই ঘটনার কথা বিস্তারিত জানিয়েছেন লতা মঙ্গেশকর। কিন্তু কে বিষ দিয়েছিল তাঁকে? প্রশ্নের উত্তরে কিংবদন্তি জানান, তাঁর পরিবার সেই মানুষটির নাম পরে জেনেছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

তিনি জানান, সেই সময় আচমকা কিছুদিন ধরে খুব দুর্বল বোধ করতে থাকেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায় চলে গিয়েছিল যে কারও সাহায্য ছাড়া বিছানা থেকে উঠতে পারতেন না। ইন্ডাস্ট্রিতে খবর রটে গিয়েছিল যে লতা মঙ্গেশকর নিজের কণ্ঠ হারিয়েছেন। কিন্তু এমন কোনও সম্ভাবনাই ছিল না বলে জানান তিনি । এরপর টানা ৩ মাস সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।

তবে বহু চেষ্টার পরে পারিবারিক চিকিৎসক ডা. আর পি কাপুরের সাহায্যে তিনি নিজের জীবন আবার ফিরত পেয়েছিলেন। সাথে তিনি যোগ করেন যে তাঁর নিজের জীবন ফিরে পাওয়ার পিছনে আরও দু’জনের অবদান ছিল। প্রথমজন কবি তথা গীতিকার মজরুহ সুলতানপুরী অন্যজন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান যে মজরুহ সুলতানপুরী রোজ শয্যাশায়ী লতা মঙ্গেশকরের পাশে এসে বসতেন। তাঁকে কবিতা শোনাতেন। অসুস্থ সংগীতশিল্পী যে সাধারণ খাবার খেতেন, তিনিও তাই-ই খেতেন। এদিকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের জন্য তিনি তাঁর গানের জগতে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে পেরেছিলেন। লতাজির বাড়িতে গিয়ে তাঁর মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে, ‘বিশ সাল বাদ’ সিনেমার জন্য গান গাওতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কথা দিয়েছিলেন, সামান্যতম অসুবিধা হলেই নিজে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে যাবেন।

Advertisement

Leave a Reply