১০ বছর পর ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে জেল কাটানো সন্তোষের মিলল সুবিচার

0
239

কার্যত একঘরে হয়েও সুবিচার পাওয়ার লড়াই ছাড়েনি ২০১০ সালে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগে ৯৫ দিন জেলে কাটানো তৎকালীন কলেজ পড়ুয়া সন্তোষ। তারই ফল মিলল ২০২০ তে। সন্তোষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনায় ওই মহিলাকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

প্রসঙ্গত আজ থেকে ১০ বছর আগে ধর্ষণের (Rape) অভিযোগ আনা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মতো ৯৫ দিন জেলও কাটিয়েছেন সন্তোষ। তারপর জামিনে ছাড়া পেলেও অভিযোগের ‘দাগ’ থেকে গিয়েছিল। সমাজে থেকেও অসামাজিক স্তরে নামিয়ে এনেছিল পাড়া প্রতিবেশি। শেষ হয়ে গিয়েছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। অবশেষে ১০ বছর পর মিলল সুবিচার।

যদিও সন্তোষের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের অভিযোগ ২০১৬ সালে মিথ্যা বলেই প্রমাণিত হয়েছিল। আদালত সন্তোষকে বেকসুর খালাস করেছিল তাঁকে । কিন্তু সম্মানহানির ক্ষতিপূরণ চেয়ে পালটা মামলা করেন সন্তোষ।

Advertisement

তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যে ধর্ষণের মামলা ও ভবিষ্যৎ নষ্ট করার জন্য অভিযোগকারিণী এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করেন সন্তোষ। ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। শেষপর্যন্ত আদালত ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ঘটনাটি হলে, পারিবারিক বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ছিক হয়েছিল সন্তোষের। কিন্তু সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের দুই পরিবারের সম্পর্ক খারাপ হয়। ভেঙে যায় বিয়ে। সেই সময় বেসরকারি কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছিলেন সন্তোষ। মেয়েটির পরিবার জানায়, তাঁদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। সেই সন্তানের বাবা সন্তোষ। সে কথা মানতে চায়নি অভিযু্ক্ত সন্তোষ ও তাঁর পরিবার। জানিয়ে দেয়, ওই পরিবারের মেয়ের সঙ্গে সন্তোষের কোনও সম্পর্ক ছিল না। এরপরই থানায় ধর্ষণের অভিযাগ দায়ের করে সংশ্লিষ্ট পরিবার। তারপর ডিএনএ পরীক্ষা করলে জানা যায় যে ওই মেয়েটির বাবা সন্তোষ নয়।

Leave a Reply