ফের তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহ! দলের একাংশের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ তুললেন কোচবিহারের এক বিধায়ক

0
76

#কোচবিহার: ফের প্রকাশ্যে এলো তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহ। এবার সর্বসম্মুখে দলের একাংশের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ তুললেন সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়, মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ সহ একাধিক নেতার উপস্থিতিতেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন জগদীশবাবু। এদিন সমস্ত সাংগঠনিক কাজকর্মে প্রশান্ত কিশোরের দলের হস্তক্ষেপ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জগদীশবাবু।

প্রসঙ্গত, গতকাল জগদীশবাবুর সঙ্গে দেখা করতে যান প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার কর্মীরা। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের তরফে সদ্য-নিযুক্ত ব্লক সভাপতিকে নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন জগদীশবাবু। একইসঙ্গে এদিন তিনি এও দাবি করেছেন যে মিহির গোস্বামী দল ছাড়লে তার ব্যাপক কুপ্রভাব পড়বে কারণ তিনি এখনো নিজের দলবদলের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছেন।

গতকাল বিকেলে জগদীশবাবু একটি কর্মীসভায় দলের একাংশকে নিশানা করে বলেন, “চেয়ারে বসে আছে অনেক নেতারা। তাদের হাতে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ। তারা মনে প্রাণে কোচবিহার জেলা তৃণমূলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে চান না বিজেপিকে উপহার দিতে চান তাঁদের ঠিক করতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসকে সংগঠিত করার বদলে কোচবিহার জেলায় তাচ্ছিল্য চলছে। আপনাদেরই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনারাই তার কারিগর।”

Advertisement

শুধু তাই নয়, জগদীশবাবু আরও বলেন, “একা আমার ওপরে আঘাতটা আসেনি। গোটা কোচবিহার জেলার সবার ওপরে আসবে। জেলার নেতাদের অনেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করেছেন। আজ নিজেদের বড় ভাবছেন। তারা আসলে বেইমান, বিশ্বাসঘাতক। ২০১৯-এ যাঁরা বিজেপিকে সাহায্য করেছেন, তাঁরাই আজকের নেতা। কে কত বড় নেতা, ২০২১-এ বোঝা যাবে। বিপদটা সবার হবে, যদি ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় না বসে।”

Leave a Reply