সুজাপুরের প্লাস্টিক কারখানা থেকে মেলেনি কোনো বিস্ফোরক পদার্থ, মেশিনের ত্রুটিতেই বিস্ফোরণ, দাবি ফরেনসিকের

0
60
সুজাপুরের প্লাস্টিক কারখানা থেকে মেলেনি কোনও বিস্ফোরক পদার্থ, মেশিনের ত্রুটিতেই বিস্ফোরণ বলে দাবি ফরেনসিকের

#মালদা:   মালদার সুজাপুরে যে প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণ হয়, দ্বিতীয় দফায় তা পরিদর্শনে আসে ফরেনসিক।কিন্তু সে স্থানে কোনও বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনা পাওয়া যায়নি। কোনও বিস্ফোরক পদার্থজাত কোনও নমুনা মেলেনি। মনে করা হচ্ছে, মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই বিস্ফোরণ হয়েছে।ফরেনসিক সেখানে এসে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফরেনসিক আধিকারিক চিত্রাক্ষ সরকার বলেন, “মেশিনের যান্ত্রিক ক্রটির জন্যই মালদার কালিয়াচকের সুজাপুরে বিস্ফোরণ হয়।” সূত্রের খবর, যেদিন ফরেনসিক টিম পরীক্ষা করতে এসেছিল, সেদিন পরীক্ষা করার সময় ফের মৃদু বিস্ফোরণ ঘটে। টিমের প্রতিনিধিরা মেশিনে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ দিতেই বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানান তারা।ফরেনসিক সূত্রে খবর, বাকি প্লান্টগুলোতে কীভাবে কাজ চলে, সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখতে চায় তারা।

তবে এখনও সুজাপুরকাণ্ডে কোনও মামলা করেনি পুলিশ, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তর মালদার সাংসদ তথা বিজেপি নেতা খগেন মূর্মূ। তাঁর অভিযোগ, “বিস্ফোরণের ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়ে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৬ জন। তবুও কোনও মামলা করেনি পুলিস। বিষয়টি সন্দেহজনক।” সুজাপুরকাণ্ডে ৫ শ্রমিক প্রাণ হারান। পরে কারখানার মালিকেরাও মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণে শ্রমিকদের দেহ টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ঘটনা নিয়ে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে জেলাশাসক ও পুলিস সুপার। ঘটনার দিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হেলিকপ্টারে সুজাপুরে তৎক্ষণাৎ পৌঁছন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। মৃতদের পরিবারের হাতে তুলে দেন ক্ষতিপূরণের চেক। ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।

Advertisement

Leave a Reply