মেনু
সংবাদ টাইমস | Bd News
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা
কনভার্টার

পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ থাকছে না, আইনের ধারা বাতিল করল সরকার

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬ 66 বার পঠিত
পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগ থাকছে না, আইনের ধারা বাতিল করল সরকার
ছবি : ফাইল ফটো

পুরোনো মালিকদের ব্যাংকে ফেরার সুযোগের বিধান বাতিল করে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের সংশোধিত খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশটি গত ১০ এপ্রিল আইনে পরিণত করে বিএনপি সরকার। তবে অধ্যাদেশটি জাতীয় সংসদে পাসের আগে ১৮(ক) নামে নতুন একটি ধারা সেখানে যুক্ত করা হয়।

ওই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক রেজল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা এর শেয়ারধারক ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরে আবার সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও এ সুযোগ দিতে পারবে।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে নতুন ধারাটি যুক্ত করার পর বিতর্ক তৈরি হয়। সংসদে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, এস আলমসহ বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দিতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছে।

রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারার সব শর্ত পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় উক্ত ধারা বিলুপ্ত করতে এই আইনের সংশোধিত খসড়া করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য-সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ঝুঁকির সময়োপযোগী সমাধান ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপন করা হলে তা বিশদ পর্যালোচনার জন্য গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়। বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি সংশোধিত আকারে উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করে। ওই সুপারিশের আলোকে অধ্যাদেশের কিছু বিধান বিধিমালার মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য পৃথক করা হয়।

সরকারের আর্থিক দায়ভার, গ্রাহকদের স্বার্থ ও ব্যাংকিং খাতের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইনে নতুন ধারা ১৮(ক) সংযোজন করে বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয় এবং উত্থাপিত আকারে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ পাস হয়। প্রচলিত রেজল্যুশন টুলগুলোর পাশাপাশি একটি বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থা প্রচলন, রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংককে সচল রেখে এর পুনর্গঠন, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য-সংকট দূরীকরণ, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারি আর্থিক সংশ্লেষ কমানোর লক্ষ্যে ধারাটি সংযোজন করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অর্থনীতি থেকে আরও দেখুন

নিচে স্ক্রল করলে পরবর্তী সংবাদ আসবে