আগামি ২৪ নভেম্বর ভ্যাকসিন বন্টন নিয়ে মোদী – মমতা বৈঠক, থাকবেন ভিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও

0
445

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির ইঁদুর দৌড়ে বেশ কিছু ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। আশা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষের দিকেই ভ্যাকসিন চলে আসবে মানুষের হাতে। অন্যদিকে করোনার প্রথম ঢেউ কাটিয়ে দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ইউরোপের বেশ কিছু দেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই মতো পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা করেছে স্পেন, জার্মান সহ কিছু ইউরোপীয়ান দেশ। ভারতের রাজধানী দিল্লী করোনার ‘তৃতীয় ঢেউ’ মুখে দাঁড়িয়ে বলে দাবি করেছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। তাই আর দেরী না করে যত শীঘ্রই সম্ভব ভ্যাকসিন আনতে চাইছে সরকার।

রাশিয়ার স্পুটনিক ভি’র অন্তিম পর্যায়ের পরীক্ষা চালছে তবু অনেক আগেই বাজারে চলে এসেছিল। ফাইজার তাদের ভ্যাকসিনকে ৯৫ শতাংশ সুরক্ষিত বলে দাবি করেছে। তাবৎ সবার আগে এগিয়ে অক্সফোর্ড ও সুইডিস কোম্পানি অ্যাস্ট্রেজেনিকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি কোভিডশিল্ড। ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ইতিমধ্যেই ওই ভ্যাকসিনের চার কোটি ডোজ তৈরি করে রেখেছে। যাতে চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকা ওই ভ্যাকসিনের ইতিবাচক ফল এলেই বাজারে আনা যায়। অন্যদিকে ভারতের দেশীয় ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাকসিন’ও ও দারুণ সাড়া দিয়েছে। সেটিরও অন্তিম পর্যায়ের পরীক্ষা চলছে।

তাই সেই সকল ভ্যাকসিন হাতে এলে তার বণ্টন কীভাবে হবে, কারা টিকাকরণে অগ্রাধিকার পাবেন, ইত্যাদি সমস্ত বিষয় নিয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২৪ নভেম্বর সেই ভারচুয়াল বৈঠকে বাংলা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

Advertisement

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই বিষয়টি তথ্যের অধিকার আইনের (RTI) আওতায় পড়ে না। তবে পরে সুর নরম হয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানিয়ে দেন, সব ঠিকঠাক থাকলে ২০২১ সালের এপ্রিলের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের টিকা হাতে পাবে ভারত। ফলে জুন-জুলাইয়ের মধ্যে অন্তত ২৫ কোটি মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তবে কোন রাজ্যে কীভাবে ভ্যাকসিনের বণ্টন হবে। কীভাবে এগোবে টিকাকরণের পুরো প্রক্রিয়া ইত্যাদি সমস্ত আলোচনা করতেই মুখ্যমন্ত্রীদের মুখোমুখি হবেন মোদি। সেখানেই অনেকটা স্পষ্ট হতে পারে ছবিটা।

Leave a Reply