কোভিড বিধি মেনে আইটিআইগুলি খোলার অনুমতি দিল কারিগরি শিক্ষা দপ্তর

0
94

অনেক পর্বে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে। খুলেছে কল কারখানা। কিন্তু বিগত আট মাস ধরে সেই যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ আছে তা এখনও খোলেনি। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অঙ্গনওয়াড়ি থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন বন্ধ।

তাই স্বাভাবিকভাবেই কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলবে, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে। যদিও রাজ্যে সরকার জানিয়ে দিয়েছে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা ঠিক হবে ডিসেম্বরে।

এরই মধ্যে রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা দপ্তর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং (ITI)-এর অধিকর্তা সৌমেন বসু নির্দেশ দিয়েছেন ২৩ নভেম্বর থেকে রাজ্যের আইটিআইগুলি খুলে দিতে হবে। সেইমতো কোভিড বিধি মেনেই ক্লাস করতে হবে বলে জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষা দপ্তর। যে কারণ কিছুটা আশ্চর্য হয়ে পড়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। কারণ নবান্নের নির্দেশানুসারে ৩০ নভেম্বরের আগে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না। চলতি মাসের শুরুতেই মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছেন।

Advertisement

অনেকে মনে করছেন, নবান্নের নির্দেশ অমান্য করেই কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের আইটিআইগুলি খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও সৌমেনবাবুর দাবি, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আইটিআইকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। আইটিআইগুলিতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আর যেহেতু কারখানা খুলে গিয়েছে তাই শিল্পের প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলায় অসুবিধে নেই। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং-এর অধিকর্তা জানিয়েছেন, “কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিত কোভিড বিধি মেনেই রাজ্যের আইটিআইগুলি চলবে। মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করে নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।”

রাজ্যে এখন সরকারি আইটিআই আছে ১৩০টি। বেসরকারি আইটিআইয়ের সংখ্যা ২৪০। আইটিআইয়ের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল আগস্ট মাসে। লকডাউন চলায় সেই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। জানুয়ারিতে আইটিআইয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা করাতে চাইছে কারিগরি শিক্ষা দপ্তর।

 

Leave a Reply