গরু পাচারের মামলায় এবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য পুলিশ! পুলিশের যোগসাজস ছাড়া কি করে সম্ভব এত বড় চক্র চালানো?

0
93
গরু পাচারের মামলায় এবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য পুলিশ, পুলিশের যোগসাজস ছাড়া কিকরে সম্ভব?

#কলকাতা:  গরু পাচারের মামলায় এবার প্রশ্নের মুখে রাজ্য পুলিশ। পুলিশের চোখ এড়িয়ে কিভাবে সম্ভব গরু পাচার? তা নিয়েই বহু প্রশ্ন উঠছে। গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, বিভিন্ন রাজ্য থেকে গরু আসে পশ্চিমবঙ্গে। কিছুদিন লুকিয়ে রেখে তা নিয়ে যাওয়া হয় সীমান্তে। কিন্তু, পুলিশের যোগসাজস ছাড়া কি এসব সম্ভব? প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। ইতিমধ্যে গরু পাচার চক্রের সঙ্গে বিএসএফ-কাস্টমসের যে যুক্ত রয়েছে, তা স্পষ্ট। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে এক বিএসএফ আধিকারিককেও। গরু পাচারকাণ্ডে সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন কয়েকজন কাস্টমস অফিসারও।

ঘুষ মামলায় ধৃত এক বিএসএফ আধিকারিকের সম্পত্তির উৎস খুঁজতে গিয়ে গরু পাচারের সিন্ডিকেটের হদিশ মিলেছে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার থেকে মূলত গরু আসে বীরভূমের ইলামবাজারে। তারপর ছোট গাড়িতে গরু পাঠানো হয় মুর্শিদাবাদের নিমতিতার মহলদারপাড়া এবং মালদার বৈষ্ণবনগর থানার চালাকপাড়ায়।ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। তবে কি এভাবে আদোও গরু পাচার রোখা সম্ভব?

বিএসএফ এবং কাস্টমসের দায়িত্ব রয়েছে সীমান্তে পাচার আটকানোর। সূত্রের দাবি, ভারত থেকে বাংলাদেশে যত সংখ্যক গরু বা মোষ পাচার হয়, তার অধিকাংশ আসে রাজস্থান, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, মধ্য প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অসম, ঝাড়খণ্ড, বিহারের মতো রাজ্য থেকে। একাধিক রাজ্য পার করে সেই গরু আসে। এতো বড় জন্তু কিভাবে রাজ্যের পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে আসতে পারছে? প্রশ্ন উঠছে সেখানেই।

Advertisement

 

 

Leave a Reply