‘ক্ষমতা থাকলে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁদের নাম নিয়ে দেখান।’ বিজেপির স্বজনপোষণের অভিযোগে সরব কুণাল ঘোষ

0
287

বিগত কয়েক মাসে বঙ্গ রাজনীতিতে শুভেন্দুর ও শাসক শিবির তৃণমূলের মধ্যে ফাটল আরো বড়ো হয়েছে। পাশপাশি শুভেন্দুর অবস্থানও ধোঁয়াশা। কোথাও বলছেন যে মুখ্যমন্ত্রী তাড়াননি তাই তিনি ছাড়েননি। পরক্ষণই আবার শাসক দলকে এক হাত নিচ্ছেন। তৃণমূলের দলের অন্দরমহলে এই কোন্দলের জেরে শুভেন্দুর বিজেপি গমন জল্পনা ক্রমশ মাথা চাড়া দিচ্ছে। আর সেই জল্পনা আরও উসকে দিচ্ছে বিরোধী শিবির বিজেপি নিজেই। আগেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা শুভেন্দুর জন্য দরজা খুলে দিয়েছিল। তবে বর্তমানে শুভেন্দু যে বিজেপি আসবেই এই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত কৈলাস বিজয়বর্গী, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, লকেট সহ অন্যান্যরা।

এইসবের পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও সরব হয়েছে বিজেপি। বারবার বিরোধী দল শাসক দলের বিরুদ্ধে ‘স্বজনপোষণে’র অভিযোগ এনেছে। মাঝে মাঝে বিজেপির আক্রমণ ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেমে আসে। এবার এর বিরুদ্ধেই সরব হলেন,তৃণমূলের মুখপাত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ। এদিন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) চ্যালেঞ্জ করলেন, ‘ক্ষমতা থাকলে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁদের নাম নিয়ে দেখান।’

মাঝে মধ্যেই শাসক শিবিরকে আক্রমণের সময় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদক অভিষেকের বন্দোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে ‘ভাইপো’ শব্দটি প্রয়োগ করতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করে গেরুয়া শিবির। রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রবণতাকে ‘চরিত্র হননে’র চেষ্টা বলে দেগে দিলেন কুণাল ঘোষ। বললেন,”আমাদের প্রিয় নেতার চরিত্র হনন করে যাচ্ছেন অথচ যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের পাশে বসালেই তারা ধুয়ে যাচ্ছে, এটা কি ওয়াশিং মেশিন নাকি। বিজেপির (BJP) তৃণমূল সম্পর্কে বলার কিছু নেই। কারণ এখানে কাজ হয়েছে। এখানে ১০০% মানুষের জন্য কাজ হয়েছে। এই সরকার খোঁজার চেষ্টা করছে কাদের জন্য উন্নয়ন দরকার। আমরা কুৎসা পছন্দ করি না। অনেক কিছুই আছে যেগুলো আমরা তুলে ধরতে পারি, কিন্তু ব্যক্তি কুৎসা আমরা পছন্দ করি না। যদি ক্ষমতা থাকে, যদি হিম্মত থাকে, ভাইপো ভাইপো না করে নাম উচ্চারণ করে দেখান কৈলাসজি। নাম নিতে কীসের এত ভয়? আমরা তো নাম করে বলছি।”

Advertisement

ওই তৃণমূল নেতা আরও বলেন, “এখানকার শিক্ষিত একজন যুবনেতাকে টার্গেট করা হচ্ছে। উনি ভাল কাজ করছেন। দু’বারের সাংসদ। ওঁর কেন্দ্রের মানুষ ওঁকে ভালবাসেন। তাই ওঁকে আক্রমণ করা হচ্ছে। ঠিক যেভাবে বোফোর্স মামলায় রাজীব গান্ধীর চরিত্র হনন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে প্রমাণ হয়ে যায় সব ভুল, সব মিথ্যে।”

Leave a Reply