উল্টো পথে হাঁটছে হরিয়ানা সরকার, কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানোর নির্দেশ দিল হরিয়ানা সরকার

0
108

#হরিয়ানা:    করোনার সংক্রমণের জেরে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফুসফুস। তবে শুধুমাত্র করোনায় নয় দূষণে ক্ষতি হয় ফুসফুসের। অতএব করোনা আর দূষণে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ ফুসফুস এই বিষয়টি একদমই পরিষ্কার। তাই কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানোর উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্য। সোমবার দিল্লিতেও আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যবন্ত সমস্ত বাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে উল্টো পথে হাঁটল হরিয়ানা সরকার । তাদের সিদ্ধান্তে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

 

দীপাবলি উপলক্ষে বাজি বিক্রি এবং উৎসবের দিনে দুঘণ্টা বাজি ফাটানোর অনুমতি দিয়েছে হরিয়ানা সরকার। দিওয়ালির পাশাপাশি বিয়ের অনুষ্ঠানেও পরিবেশবান্ধব বাজি বিক্রি ও ফাটানো বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। উৎসবের দিনে রাত ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাজি ফাটানোয় কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে হরিয়ানার সরকারের তরফে । গুরুপূর্ণিমা, কার্তিক পূর্ণিমা, ক্রিসমাস ইভ, নিউ ইয়ারেও রাত ১১.৫৫ থেকে রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যাবে হরিয়ানায়।

Advertisement

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। তিনি বলেছেন, ‘বায়ুদূষণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। হরিয়ানার প্রতিদিনের সংক্রমণের সংখ্যা ১ হাজারের নীচে নেমেছে। তবে সম্প্রতি তা ২ হাজারের কাছাকাছি চলে গিয়েছে। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আতসবাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে যাঁরা ফাটাতে চান তাঁরা নির্দিষ্ট দু’ঘণ্টা ফাটাতে পারেন।’

পরে তিনি ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, ‘ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের অর্ডার মেনেই বায়ুদূষণ ও করোনার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে হরিয়ানা সরকার। যদিও হরিয়ানার প্রতিবেশী রাজ্য দিল্লি ও রাজস্থানে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে আতসবাজিতে। তবে হরিয়ানা NCR-এর গুরগাঁও, ফরিদাবাদ, সোনিপাত ও রোহতাকে এই ছাড় চলবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছে।’

Leave a Reply