‘দেরী’ চাইছে না সেরাম! চার কোটি ভ্যাকসিন ডোজ ইতিমধ্যেই বানানো হয়ে গিয়েছে

0
160

দেশে সংক্রমণের গতি কমলেও করোনার রেশ এখনও শেষ হয়নি। অন্যদিকে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে লকডাউন ঘোষণা করছে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ। এই অতিমারি থেকে রক্ষা পেতে সেই ব্রহ্মাস্ত্র এখনও মানুষের হাতে এসে পৌঁছায় নি। প্রতিষেধক তৈরীর দৌড়ে বেশ কিছু প্রতিষেধক অন্তিম পর্যায়ে রয়েছে। আশা করা যায় আগামী বছরের শুরুর দিকেই সেই অব্যর্থ হাতিয়ার, করোনা প্রতিষেধক চলে আসবে।

তাই সবরকম প্রস্তুতি আগেভাগে সেরে রাখতে চাইছে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো। সেই একই পথে হেঁটে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা প্রতিষেধক ‘নোভাভ্যাক্স’-এর ৪ কোটি ডোজ বানিয়ে ফেলেছে। বৃহস্পতিবার সেই ঘোষণা করা হল সংস্থার তরফে। এখন শুধুমাত্র স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষা।।

উল্লেখ্য সারা বিশ্বের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ-সুইডিশ ওষুধ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা যৌথ ভাবে তৈরি
‘নোভাভ্যাক্স’ সবার আগে রয়েছে। একদম শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ১৬০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নাম নথিভূক্ত করা হয়েছে। তাই প্রতিষেধকের ট্রায়াল চলাকালীনই ডোজ বানিয়ে রাখতে চাইছে সেরাম ইনস্টিটিউট। যাতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ভ্যাকসিন আনা যায়।

Advertisement

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটির প্রথম, দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের পর তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের দোরগোড়ায়। এই অবস্থায় সেরাম জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ‘নোভাভ্যাক্স’ (Novavax)-এর ৪ কোটি ডোজ তৈরি করে ফেলেছে তারা। শিগগিরই এর প্রতিদ্বন্দ্বী টিকা (Rival Shot) তৈরির কাজও শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত সেরামের তৈরি নোভাভ্যাক্সের ৪ কোটি ডোজ শুধু ভারতকেই দেওয়া হবে নাকি অন্য দেশকেও দেওয়া হবে সেই নিয়ে কিছু জানায়নি সেরাম অধিকর্তা এবং আইসিএমআর (ICMR)।তবে অধিকাংশ বরাদ্দ ভারতের জন্যই থাকবে সেটা আশা করা হচ্ছে। এদিকে, বৃহস্পতিবারই দেশের করোনাযুদ্ধে আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, ‘কোভিড সুরক্ষা মিশন’-এর আওতায় এই সংক্রান্ত গবেষণা কাজের জন্য আরও ৯০০ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বায়োটেকনোলজি বিভাগকে।

 

Leave a Reply