শোভাযাত্রা না হলেও ২ দিন চন্দননগরে পাওয়া যাবে না বিদ্যুৎ পরিষেবা

0
171

#চন্দননগর – করোনা ভাইরাসের কারণে চলতি বছরে শোভাযাত্রা বন্ধ করা হয়েছে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর সময়। অন্যান্য বছরের মতো সেই আলোর সাজ থাকলেও থাকছেনা কোনো শোভাযাত্রা। কিন্তু প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছরও ২ দিন সকাল থেকে রাত বিদ্যুৎহীন থাকতে হবে চন্দননগরবাসীকে। চন্দননগরে লক্ষ্মীগঞ্জ বিবিরহাট ১ ও ২ এবং বড়বাজার এই ৪টি জায়গার ফিডার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এবারও প্রয়োজন মত দুধ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছেন চন্দননগর পুলিশের ডিসি তথাগত বসু।

তাঁর কথায়, “জ্যোতির মোড়, ছবিঘর মোড়, গঞ্জের বাজারের মতো জায়গায় যেখান দিয়ে প্রতিমা গঙ্গার ঘাটের দিকে ঢুকবে সেখানে বন্ধ থাকবে বিদ্যুৎ সংযোগ।” চন্দননগর পুর নিগমের কমিশনার স্বপন কুণ্ডু জানিয়েছেন, রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের সঙ্গে তাঁদের যে বৈঠক হয়েছে তাতে পর্ষদ জানিয়েছে ৭৮টি জায়গা থেকে প্রথম দিন প্রতিমা বেরোবে। সে সব জায়গায় বিদ্যুৎ সাময়িক বন্ধ রাখতে হবে, যাতে কোনো বড় বিপদ না ঘটে। যদিও সেই এলাকা দিয়ে প্রতিমা চলে যাওয়ার পরে তা পুনরায় চালু করা হবে। তিনি জানিয়েছেন , “আগে চন্দননগরের বিসর্জন মানেই জলের সমস্যা দেখা দিত। এখন পুর নিগম জলের প্ল্যান্ট তৈরি করায় বিদ্যুৎ না থাকলেও শহরের ৩০ শতাংশ মানুষকে জল দেওয়া যাবে।”

উল্লেখ্য যে, চন্দননগরের ৬টি এবং ভদ্রেশ্বরের ৫টি ঘাটে ২ দিন ধরে ১৭১টি প্রতিমা বিসর্জন হবে। এবং এর উচ্চতা হয় ২০-২৫ ফুট করে। সেগুলি বড় বড় ট্রাকে তুলে শোভাযাত্রা সহকারে গঙ্গার ঘাটে বিসর্জন দিয়ে যাওয়ার হয়। বিসর্জনের সময় যাতে বিদ্যুতের ওভার হেড তারে প্রতিমার কোনও অংশ ঠেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কোনও খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়।

Advertisement

Leave a Reply