রাজ্যে ফের কমল দৈনিক দৈনিক সুস্থতা, মোট মৃত্যু ৮০০০ ছুঁই ছুঁই

0
97

পূজো মিটতেই রাজ্যে নিম্নমুখী করোনার গ্রাফ। যা কিছুটা স্বস্তি দিল রাজ্যবাসীকে। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজ্যে লাগাতার দৈনিক আক্রান্ত চার হাজারের উপরে থাকার পর এখন সেই সংখ্যা তিন হাজারের নীচে। এমনকি সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যাও একটু কমেছে। আজ সারাদিনে রেকর্ড মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

তেমনি পূজোর দিনগুলোতে রাজ্যে করোনার গ্রাফ উর্ধমুখী থাকলেও তা ছিল নিয়ন্ত্রিত। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও তা কখনই বাঁধ ভেঙে যায়নি। যার আশঙ্কা করা হয়েছিল। পূজোর আবহে হু হু করে বেড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আগষ্ট মাসের মাঝে রাজ্যে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৮ হাজার ছুঁয়েছিল। মাঝে সেই সংখ্যা ২২ হাজারে নেমে এসেছিল। তবে শেষ কয়েকদিনে সেই সংখ্যা বাড়ছে। পাশপাশি আগষ্ট মাসের শুরুতে রাজ্যে সুস্থতার হার ছিল ৬৯ শতাংশ। সেটা ১লা সেপ্টেম্বরে এসে দাঁড়িয়েছিল ৮৩ শতাংশে। যেখানে জুলাই মাসে রাজ্যে সুস্থতার হার ৬০ শতাংশের নীচে নেমে গিয়েছিল।

আজ স্বাস্থ্যভবনের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী শেষ চব্বিশ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩৬২৬। তেমনি আজ সারাদিনের সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৮৫০। তবে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্যান্য জেলায় সংক্রমণের বৃদ্ধি। যেমনি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি,নদিয়া, দিনাজপুর ইত্যাদি। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা কলকাতা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার।

Advertisement

আজ শুধু কলকাতাতেই আজ আক্রান্ত হয়েছে ৮৮০ জন। উত্তর চব্বিশ পরগণায় ৭৭৪ জন। রাজ্যে এই মুহূর্তে করোনা রোগীর সংখ্যা ৪,৪৯,১৩১ জন। শুধু কলকাতাতেই প্রায় ৯৮ হাজারের অধিক জনের শরীরে করোনা থাবা বসিয়েছে। তারপরেই রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগণা ও হাওড়া। এই দুই জেলায় মোট আক্রান্ত যথাক্রমে ৯২৬০৫ ও ২৯৪৩২। যদিও রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতেও সংক্রমণ বাড়েছে। রাজ্যে সংক্রমণের হার ৮.২৭ শতাংশ। রাজ্যে মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪ লক্ষ ১৬ হাজার মানুষ।

উল্লেখ্য বিগত কয়েকদিন ধরেই লাগাতার রেকর্ড মানুষ সুস্থ হচ্ছিল রাজ্যে। তবে আবার রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার দেখা দিচ্ছে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ডিসচার্জ রেট প্রায় ৯২.৫৪ শতাংশ। পাশপাশি রাজ্যে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৬০০ । এদিন রাজ্যে করোনা সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৭৪ জন কমেছে।

তবে আজ সারাদিনে করোনায় মারা গেছেন ৫০ জন।
আজ কলকাতায় মৃতের সংখ্যা ছিল ১০। তবে উত্তর চব্বিশ পরগণা ও হাওড়ায় মারা গিয়েছে যথাক্রমে ১৬ ও ৬ জন করে। রাজ্যে মোট মৃত্যু ৭৯২৩। যদিও ৮৫ শতাংশ রোগীর মৃত্যু কোমর্বিডিটির কারণে হচ্ছে। তাই চিন্তার কোনো কারণ নেই। বুলেটিন অনুযায়ী ৬৩ শতাংশ বেড খালি রয়েছে।

রাজ্যের ৯৫ টি ল্যাবে আজ সারাদিনে ৪৪ হাজার ১৫৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৫৪ হাজার মানুষের।

Leave a Reply