প্রকাশ্যে অনুব্রত মণ্ডল ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর সংঘাত

0
105

এবার প্রকাশ্যে এলো বীরভূমের অনুব্রত মণ্ডল ও বিধায়ক তথা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর রাজনৈতিক সংঘাত। এদিন মঙ্গলবার মঙ্গলবার বর্ধমানে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মঙ্গলকোটের স্থানীয় বিধায়ক সিদ্দিকুল্লাহ সাফ জানিয়ে দেন যে অনুব্রত মণ্ডলের অধীনে মঙ্গলকোটে কাজ করতে পারবেন না তিনি।

সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। তাঁর কথায়, “দল বললে কাজ করতেই হবে। তাহলে আমাকে মঙ্গলকোটে কাজ করার পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। আমি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগত হয়ে কাজ করতে প্রস্তুত নই। এটা আমি পরিষ্কার বলে দিলাম। আমি ওর মেজাজ চিনি। জানি। গত নির্বাচনেও তারা কী করেছে সকলে জানে। সংবাদমাধ্যম জানে। আমি মঙ্গলকোটে গেলে স্বাধীনভাবে কাজ করব। উনি বড় খেলোয়াড়। ওনার কথা আমি কী বলব? আমি ওই পর্যায়ের খেলোয়াড় নই। মারামারি করতে চাই না। কেউ করুক তাও চাই না। এভাবে আমি মঙ্গলকোটে হাত পোড়াতে যেতে পারব না।”

প্রসঙ্গত একুশের বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই প্রকাশ্যে আসছে তৃণমূলের অন্দরে গোষ্ঠী কোন্দল। শুভেন্দু নিয়ে আগে থেকেই বাঙলার রাজনীতি সরগরম ছিল। এবার সেখানে যোগ দিলেন
সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। যদিও সিদ্দিকুল্লাহকে নিয়ে জল্পনা দল পরিবর্তন নিয়ে নয়। দলের অন্দরে অনুব্রত বনাম সিদ্দিকুল্লাহ নিয়ে। অন্যদিকে বড়সড় ভাঙন দেখা দিয়েছে অনুব্রতর ডেরা বীরভূমে। দলের উপর নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন ১৫ বছরের কাউন্সিলার তথা বর্তমান কোঅর্ডিনেটর আব্বাস হোসেন। উল্লেখ্য বেশ কিছুদিন ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলছিলেন। এদিন তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী আশিষ ব্যানার্জী ও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্র‍ত মণ্ডলকে জানিয়েছেন।

Advertisement

দলে ভাঙনের নেপথ্যেও অনুব্রত মণ্ডলের হাত রয়েছে বলেও পরোক্ষে অভিযোগ সিদ্দিকুল্লাহর। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলকোটের বিধায়ক বলেন, “বিজেপির (BJP) লোকেরা আমাকে খবর দিচ্ছে সাহেব নিরুপায় হয়ে বিজেপিতে গিয়েছি। আমরা আসলে বিজেপি না।”

Leave a Reply