কোভিড সংক্রমণ রুখতে সুপার ভ্যাকসিন তৈরির দাবি চিনের, চলছে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল

0
50

#কোভিড-১৯:  কোভিডের সংক্রমণ রুখতে এবার সুপার ভ্যাক্সিন তৈরি করার দাবি জানাল চিন। এবার বেজিংয়ের দাবি, ১০ লাখ মানুষকে দেওয়া হয়েছে টিকা এবং কোনও প্রকারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। চিনের দাবি এই টিকা দেওয়ার পর নতুন করে সংক্রমণ আর হয়নি। এই কারণেই এই ভ্যাক্সিনকে ‘সুপার ভ্যাক্সিন’ নাম দেওয়া হয়েছে।

চিনা সংস্থা সিনোফার্ম-এর এই কোভিড ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। তবে এখনও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চূড়ান্ত পর্ব সম্পূর্ণ করেনি। তাও কোভিড প্রতিষেধক হিসেবে এই সুপার ভ্যাক্সিন সাধারণের উপর প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে চিন সরকার।

সিনোফার্ম-এর চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন জানিয়েছেন, ‘সুপার ভ্যাক্সিন প্রয়োগের ফলে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না বটে, তবে মামুলি কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে যা সহজেই সারানো সম্ভব।’ তার দাবি, বিদেশে সংস্থার এক দফতরে কর্মরত ৯৯ জন কর্মীর মধ্যে ৮১ জনকে এই টিকা দেওয়া হয়। এরপর সেখানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ দেখা দিলে, যারা টিকা নিয়েছিলেন তারা জীবাণুর দ্বারা সংক্রমিত হননি। কিন্তু টিকা না নেওয়া ১৮ জন কর্মীর মধ্যে ১০ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন।

Advertisement

লিউ জিংজেনের আরও দাবি করেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সেই সমস্ত শ্রমিক, ছাত্র ও কর্মীদের উপরে প্রয়োগ করা হয়, যারা অতিমারী শুরু হওয়ার পরে বিদেশ সফর করেছেন। দেখা গিয়েছে, টিকা নেওয়ার পরে এদের কারও মধ্যে সংক্রমণ দেখা দেয়নি।’

এ কারণে গত ৬ নভেম্বর চিন থেকে ভিন্ন দেশে সফরকারী ৫৬,০০০ যাত্রীকে রওনা হওয়ার আগে সুপার ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়।

সিনোফার্ম-এর তৈরি এই সুপার ভ্যাক্সিন বর্তমানে ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছে। বিশ্বের ১০টি দেশের ৬০,০০০ স্বেচ্ছাসেবীর উপরে এই পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

চিনে তৈরি কোভিড টিকা ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার পরে ওষুধ উৎপাদক সংস্থা ক্যেন বায়োলজিক্স ঘোষণা করে, চিনা সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপরে ওই টিকা প্রয়োগের অনুমতি তারা পেয়েছে।

Leave a Reply