মমতার কাছে সরকার চালানো শেখা উচিৎ মোদীর! স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সঙ্গে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারতের তুলনা টেনে মন্তব্য অভিষেকের

0
332

#অভিষেক-বন্দ্যোপাধ্যায়: বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে ১লা ডিসেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত নাগরিক স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবে। এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের প্রতিটি পরিবারকে একটি করে স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা করাতে পারবেন তাঁরা। আজ একটি টুইটে রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সঙ্গে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারতের তুলনা টেনে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকার কীভাবে চালাতে হয় তা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শেখা উচিৎ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

এদিন টুইটে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’‌ প্রকল্পের সঙ্গে স্বাস্থ্যসাথীর পরিষেবাগত দিক থেকে ঠিক কী কী পার্থক্য রয়েছে তা তুলে ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন , “জাতি–ধর্ম–বর্ণ–শ্রেণী নির্বিশেষে পশ্চিমবঙ্গের সকল মানুষ এই পরিষেবায় উপকৃত। এটা আবার প্রমাণিত হল যে আজ যা বাংলা ভাবে তা আগামীকাল ভাবে ভারত।”

তৃণমূল সাংসদ এদিন টুইটে জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবার সূচনা হয় যেখানে আয়ুষ্মান ভারত চালু ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু হয়। অভিষেক জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের ১০০ শতাংশই দেয় রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, আয়ুষ্মান ভারতের জন্য মাত্র ৬০ শতাংশ অর্থ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি আরও জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পান। কিন্তু দেশের যে সব রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত চালু হয়েছে, সেখানকার সকল বাসিন্দা এই প্রকল্পের সুবিধা পান কিনা সেই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

Advertisement

তৃণমূল সাংসদ আরও জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসাথীর আওতাভুক্ত পরিবারকে স্মার্ট কার্ড দেওয়ার জন্য একটা টাকাও নেয় না রাজ্য সরকার। তবে আয়ুষ্মান ভারতের পরিচয়পত্রের প্রিন্ট আউট পেতে পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে ৩০ টাকা করে দিতে হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, স্মার্ট কার্ড থাকায় হাসপাতালে ভর্তির যে প্রক্রিয়া তাতে কোনোরকম সমস্যা হয় না, তাতে দেরিও হয় না। অথচ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে একাধিক সমস্যা হয় বলেই দাবি করেছেন অভিষেক।

Leave a Reply