৩০ সেকেন্ডের মাউথওয়াশ মারতে পারে করোনা ভাইরাসকে, দাবি কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের

0
94

করোনার ভ্যাকসিন তৈরির ইঁদুর দৌড়ে বেশ কিছু ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। আশা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষের দিকেই ভ্যাকসিন চলে আসবে মানুষের হাতে। অন্যদিকে করোনার প্রথম ঢেউ কাটিয়ে দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ইউরোপের বেশ কিছু দেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই মতো পূর্ণ লকডাউনের ঘোষণা করেছে স্পেন, জার্মান সহ কিছু ইউরোপীয়ান দেশ। ভারতের রাজধানী দিল্লী করোনার ‘তৃতীয় ঢেউ’ মুখে দাঁড়িয়ে বলে দাবি করেছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। তাই আর দেরী না করে যত শীঘ্রই সম্ভব ভ্যাকসিন আনতে চাইছে সরকার।

রাশিয়ার স্পুটনিক ভি’র অন্তিম পর্যায়ের পরীক্ষা চালছে তবু অনেক আগেই বাজারে চলে এসেছিল। ফাইজার তাদের ভ্যাকসিনকে ৯৫ শতাংশ সুরক্ষিত বলে দাবি করেছে। তাবৎ সবার আগে এগিয়ে অক্সফোর্ড ও সুইডিস কোম্পানি অ্যাস্ট্রেজেনিকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি কোভিডশিল্ড। ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট ইতিমধ্যেই ওই ভ্যাকসিনের চার কোটি ডোজ তৈরি করে রেখেছে। যাতে চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকা ওই ভ্যাকসিনের ইতিবাচক ফল এলেই বাজারে আনা যায়। অন্যদিকে ভারতের দেশীয় ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাকসিন’ও ও দারুণ সাড়া দিয়েছে। সেটিরও অন্তিম পর্যায়ের পরীক্ষা চলছে।

কিন্তু এত কিছুর পরেও বসে নেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। ভ্যাকসিন মানুষের কাছে আসার আগে করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার একাধিক পথ খোলার চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি এক পরীক্ষায় জানা গিয়েছে, ৩০ সেকেন্ড ধরে মাউথওয়াশ করলেই নাকি করোনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কমপক্ষে ০.০৭শতাংশ সিটিএলপিরিডিনিয়াম ক্লোরাইড (সিপিসি)যুক্ত মাউথ ওয়াশকে ভাইরাসের সংক্রমণ হ্রাস করার “প্রতিশ্রুতিবদ্ধ লক্ষণ” দেখিয়েছে।

Advertisement

তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন, যা এখনও পিয়ার-রিভিউ করা হয়নি। তবে গত সপ্তাহে প্রকাশিত একটি গবেষণাকে সমর্থন করেছে যাতে পাওয়া গেছে যে সিপিসিযুক্ত মাউথওয়াশ করোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত মানুষের ভাইরাল লোড হ্রাস করতে সহায়তা করে।

কার্ডিফের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অফ ওয়েলস-এর রোগীদের উপর ক্লিনিকাল পরীক্ষার আগে মাউথওয়াশ রোগীর লালা করোনাভাইরাস হ্রাস করতে পারে কিনা তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। ২০২১ সালের প্রথম দিকে অনুসন্ধানগুলি প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেন্টিল একমাত্র যুক্তরাজ্যের মাউথওয়াশ ব্র্যান্ড যা কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধ্যাপক ডেভিড থমাসের নেতৃত্বে ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অংশ।

“যদিও ইন-ভিট্রো অধ্যয়নটি অত্যন্ত উত্সাহজনক এবং একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, আরও ক্লিনিকাল গবেষণা এখন স্পষ্টভাবে প্রয়োজন,” ডাঃ থমাস পিএ বার্তা সংস্থাকে বলেছেন।

Leave a Reply