তবে ১৯ তারিখের ‘মেগা শো’তে শুভেন্দুর ভবিষ্যত নিশ্চিত হবে?

0
78

বিগত কয়েকমাস ধরেই পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। ক্রমশ প্রকাশ্যে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। যা নিয়ে অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক শিবির। ইতিমধ্যেই শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জোড় জল্পনা শুরু হয়েছে। একের পর এক সভায় শাসক দলের উদ্দেশ্য নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। চাঁচাছোলা আক্রমণ করতেও পিছু পা হননি। এমনকি কোনো সভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম পর্যন্ত উল্লেখ করেননি। বিভিন্ন জায়গায় ‘আমরা দাদার অনুগামী’ ব্যানারে বিরাট বিরাট সভা করেছেন শাসক দলের থেকে দুরত্ব বজায় রেখে।

প্রসঙ্গত আগামীকাল ১৯ নভেম্বর রামনগরে শুভেন্দুর সভা ঘিরে ফের তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব সামনে আসছে। সমবায় সপ্তাহ উপলক্ষে শুভেন্দুর সভার পাল্টা। তৃণমূলের ব্যানারে কোলাঘাটে সভা। থাকবেন রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি। এখন প্রশ্ন ওইদিনিই কি শুভেন্দু রাজনীতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? কারণ রামনগরে দাঁড়িয়ে ১৯ তারিখের সভাকে ‘মেগা শো’ বলে মন্তব্য করেছিলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক তথা পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

অন্যদিকে উত্তর বাংলার কোচবিহারেও তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল দেখা গিয়েছে। গতকাল সিতাই কেন্দ্রের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার গলায় তৃণমূল-কংগ্রেসের অন্দরে ফের ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছে। দলের কার্যপ্রণালী নিয়ে এদিন ক্ষোভ প্রকাশ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া বলেন, “মিহির গোস্বামী দল ছাড়লে তার প্রভাব পড়বে তৃণমূলে।” পাশাপাশি নিজের সম্পর্কেও স্পষ্ট জানালেন, “সময় কথা বলবে।”।

Advertisement

উল্লেখ্য এদিন বিকেলের দিকে এক সভায় তৃণমূল নেতাদের তীব্র আক্রমণ করেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়া।
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী বিনয় বর্মন, উদয়ন গুহ সহ একাধিক বিধায়ক। প্রকাশ্যেই জেলা নেতৃত্বকে তুলোধোনা করেন সিতাই বিধায়ক। নেতাদের দ্বন্দ্ব নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। বলেন, “জেলার নেতাদের অনেকেই বিজেপির সঙ্গে মিলে কাজ করেছেন। আজ নিজেদের বড় ভাবছেন। বেইমান, বিশ্বাসঘাতক। ২০১৯-এ যাঁরা বিজেপিকে সাহায্য করেছেন, তাঁরাই আজকের নেতা। কে কত বড় নেতা, ২০২১-এ বোঝা যাবে।”

 

Leave a Reply